নন্দন সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড
প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যঃ
মানুষের মৌলিক চাহিদা নিরসন, অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ হিসেবে সমাজের মূলস্রোতে বিচ্ছিন্ন প্রান্তিক পর্যায়ে অবস্থনরত জনগোষ্ঠীকে সঞ্চয়ে উদ্ধুদ্ধ করা, স্থায়ী জোগারের ব্যবস্থা করনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, অধিকার সুরক্ষা এবং নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রির ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মেধা বিকাশের মধ্য দিয়ে একটি আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী মানুষ গড়ার পাশাপাশি সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য
- স্থায়ীভাবে সমাজে বসবাসরত মানুষের বিশেষ করে দরিদ্র্য অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ মৌলিক চাহিদা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষদেরকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করা যাতে আপদকালীন সময়ে অসহায়বোধ না করে এবং পারিবারিক জীবনে প্রয়োজনীয় বিষয় নিজেরাই ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারে তার ব্যবস্থা করা।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব দূরীকরনের মাধ্যমে পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা।
- স্থানীয় ভাবে কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে সুষম খাদ্য ও পুষ্টির যোগান সরবরাহ করে পুষ্টির ঘাটতি কমানো এবং মেধাবী ও সুস্বাস্থ্যবান ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে উঠতে সাহায্য করা।
- নিম্নবৃত্ত ও মধ্যবৃত্ত মানুষের জন্য একটি স্থায়ী রোজগারের ব্যবস্থাকরনের মাধ্যমে জীবন-জীবিকা নিয়ে মানসিক দুঃচিন্তার অবসান ঘটিয়ে একটি সুস্থ্য স্বাভাবিক সুন্দর জীবন গঠনে সহায়তা করা।
- মানুষে মানুষে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহযোগিতা এবং সংঘবদ্ধ প্রয়াসের মনোভাব সৃষ্টি ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং আত্মপ্রত্যয় আত্মবিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গির উন্নয়ন করা।
- গ্রাম পর্যায়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠির স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে অত্র প্রতিষ্ঠান নৈতিকতা, সামাজিকতা, জাতীয়তা এবং অর্থনৈতিক মূল্যবোধ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করা।
- অত্র প্রতিষ্ঠান উল্লেখিত ব্যবসা খাত ছাড়াও সময় ও যুগোপযোগি যেকোনো বৈধ ব্যবসা করতে পারবে।
- অত্র প্রতিষ্ঠান এমন একটা প্রতিষ্ঠান হবে যে প্রতিষ্ঠান একজন মানুষ ইচ্ছা করলে অন্য কোনরূপ কোনো প্রতিষ্ঠানের সহায়তা ছাড়াই জীবন অতিবাহিত তথা প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারবে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পসমূহ
প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে এবং এই সকল প্রকল্পের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য প্রকল্প কমিটি গঠন করে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। কোম্পানির কার্যক্রম শুরুর প্রথমেই ১০০ (একশত) একর জমি ক্রয়/ভাড়া করে কয়েকটি প্রকল্পের প্রাথমিক পরিকল্পনা প্রদান করা হলোঃ-

মৎস্য চাষ প্রকল্প
এই প্রকল্পের আওতায় কোম্পানির কার্যক্রম শুরুর প্রথম বছরেই ২০ একর জমিতে প্রতিটি ০৪ একর বিশিষ্ট দীঘি খনন করে বাংলাদেশের দেশীয় মাছের চাষ করা হবে। দীঘির পাড়ে পেঁপে, নারকেল সুপারিসহ সবজি চাষ ও দীঘির জলে দেশি হাঁস পালনের ব্যবস্থা করা হবে।
কৃষি প্রকল্প
- ২০ একর জমিতে বিভিন্ন জাতের ফল তথা – আম, লিচু, কলা, পেঁপে, ড্রাগন ইত্যাদির চাষ হবে। এগুলি ফরমালিন ছাড়া বাজারজাত করা হবে।
- ২০ একর জমিতে কীটনাশক সারা ১০০% অর্গানিক ভাবে সবজি উৎপাদন ও বাজারজাত করা হবে।


ডেইরি প্রকল্প
- গবাদি পশুর খামারঃ একর জমিতে সুস্থ চেতনার গরুর খামার ও দুগ্ধজাত দ্রব্যেও প্রক্রিয়াজাত করণের ব্যবস্থা ও বাজারজাত।
- গবাদিপশুর চারণ ভূমিঃ ২০ একর জমিতে নিজস্ব গরুর খামারের জন্য সবুজ ঘাস উৎপাদন ও চারণ ভূমি করা হবে।
আস্থা আইরিশ মৈত্রী হাসপাতাল
একজন রোগীর প্রথম চাহিদা থাকে তার সমস্যা অনুযায়ী একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের আন্তরিক ও সঠিক পরামর্শ পাওয়া এবং সেই পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আস্থা আইরিশ মৈত্রী হাসপাতাল এর মূল লক্ষ্যই থাকবে রোগীর এই চাহিদাকে প্রাধান্য দেওয়া এবং সেই অনুযায়ী তাকে সেবা প্রদান করা।



নন্দন ফার্মা
এই ফার্মাসী শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে মানুষের কাছে সুলভ মূল্যে ঔষধ বিক্রয় করবে। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, আমরা এই ফার্মেসীতে কোন প্রকার নকল এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় করিব না। আমাদের লক্ষ ভবিষ্যতে বিদেশী ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানির সাথে চুক্তি করে গরীব মানুষের মধ্যে নূন্যতম মূল্য জেনেরিক মেডিসিন বিতরণ করা।
আস্থা আইরিশ মৈত্রী নার্সিং ইনস্টিটিউট
সঠিক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য সঠিক রোগ নির্নয়, অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও রোগ অনুযায়ী নিয়মিত ঔষধ-পথ্য সেবনের পাশাপাশি রোগীর সঠিক পরিচর্যা অন্যতম। এই পরিচর্যার কাজটি যারা দক্ষতার সাথে পালন করে থাকেন তারা নার্স। এই সেবার জন্য সেবাকর্মীদের হতে হবে দক্ষ, অন্যথায় চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম শুধু ব্যহতই হবে না উপরন্ত রোগীর জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আস্থা আইরিশ মৈত্রী নার্সিং ইনস্টিটিউট থেকে প্রতি বছর সেবার মানসে বেরিয়ে আসবে একদল দক্ষ সেবাকর্মী (নার্স), যারা শুধু বাংলাদেশের নার্সের চাহিদা পূরণ করবে না বরং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী নার্সিং সেবার প্রচার ও প্রসার ঘটাবে।


বিনয় কিচেন
আমাদের হাসপাতালে মূল ভবনের নিচতলায় একটি বড় খোলামেলা ও স্বাস্থ্যসম্মত জায়গা রেস্তোরাঁর জন্য বন্দোবস্ত থাকবে। এই রেস্তোরাঁ আমাদের হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্য স্বাস্থ্য সম্মত ও ১০০% ভেজাল মুক্ত টাটকা খাবার সরবরাহ করবে।
প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা
প্রাথমিক ভাবে বিনিয়োগকারী সদস্যদের বিনিয়োগকৃত অর্থই এই প্রতিষ্ঠানের তহবিল হবে। এরপর কার্যক্রম শুরু হলে সাধারণ সদস্যদের সঞ্চয় এবং বিভিন্ন প্রকল্প হতে লভ্যংশই অত্র প্রতিষ্ঠানের আয় হবে। যেহেতু উক্ত প্রতিষ্ঠানটি মানবকল্যাণের পাশাপাশি শতভাগ লাভজনক প্রতিষ্ঠান তাই অত্র প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা ক্ষেত্র প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করবে। অত্র প্রতিষ্ঠান যে সকল ক্ষেত্রে ব্যবসা পরিচালনা করবে সেগুলোর মধ্যেঃ-
- প্রথম শুরু হবে ডেইরি ফার্ম (Dairy Firm) দিয়ে। এই ডেইরি ফার্ম এর উদ্দেশ্য শুধু দুধ উৎপাদন করা নয়, এর অন্যতম বড় লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ chain, অর্থাৎ কারখানা স্থাপন করে দুগ্ধজাত সব ধরনের পণ্য ভেজাল মুক্ত করে মানুষের মধ্যে বাণিজ্যিক ভাবে বিতরণ করা।
- মহিলা দ্বারা পরিচালিত মহিলাদের ব্যক্তিগত দ্রব্যাদির ব্যবসা পরিচালনা করা।
- বাংলাদেশের মডেল ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, যেখানো কাঁচা মাছ, শাক-সবজি থেকে শুরু করে ঔষধ, স্বর্ণালংকারসহ সবকিছুই এক ছাদের নিচে পাওয়া যাবে এমন প্রতিষ্ঠান তৈরি করা।
- বহুতল ভবন তৈরি করে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের জন্য বাসস্থান ও তদপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদিসহ সেবার ব্যবস্থার প্রতিষঠান তৈরি করা।
- সাধারণের পরিবহন সেবায় বিনিয়োগ করা।
- আমদানি-রপ্তানি (Import-Export):
- বাসমতি চাল South India থেকে আমদানি করে বাজারজাত করা।
- Ireland থেকে শিশুখাদ্য আমদানি ও বাজারজাত করা।
- Eastern Europe থেকে সূর্যমুখী তেল আমদানি ও বাজারজাত করা।
- বিশ্বমানের হাসপাতাল বেসরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠা করে বাণিজ্যিকতার পাশাপাশি দরিদ্র মানুষকে সুলভ মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।
- বিভিন্ন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আঙ্গিকে স্বনির্ভর/অ্যাফিলিয়েট এফিলিয়েটেড বিশ্ববিদ্যালয় (University) প্রতিস্থাপন করা।
কোম্পানির মুনাফা বন্টন পদ্ধতি
এই কোম্পানির প্রতি বছর মূলধন, নতুন বিনিয়োগ, মোট লাভ, মোট ব্যয় হিসাব করে একটি নিট/প্রকৃত লাভ হিসাব করবে। কোম্পানির নীট লাভের অংশ নিম্নোক্ত ভাবে বন্টন করা হবেঃ-
- নিট লাভের ৫০% মুনাফা বন্ঠন হবে বিনিয়োগকারী (Investor) সদস্যদের মধ্যে।
- নীট লাভের ২৫% মুনাফা বন্ঠন হবে সাধারণ সদস্যের মধ্যে। যে বা যারা প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ টাকা হারে সঞ্চয় করবে।
- নীট লাভের ২৫% মুনাফা তাদের মধ্যে বন্ঠিত হবে যে বা যারা অনাহারী, অসহায়, দুস্থ, অসহায়, তাদের চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদি খাতে, মোট কথা সবসময় দাতব্য (Charitable Donation) কাজে বন্টিত/ব্যয় হবে।
- অত্র প্রতিষ্ঠান যেহেতু সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদা নিরসনে এবং তাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করবে তাই কোম্পানির সাধারণ সদস্যগণ অত্র প্রতিষ্ঠানের যেকোনো বিক্রয় কেন্দ্র হতে কোন দ্রব্য বিক্রয় করিলে অত্র প্রতিষ্ঠানের যে কোনো বিক্রয় কেন্দ্র হতে কোন দ্রব্যাদি ক্রয় করিলে অত্র প্রতিষ্ঠান সর্বদা ৫% মূল্য ছাড় দিতে বাধ্য থাকিবে।
সুবিধা
- ৫ বছরের সঞ্চয় ১৮,২৫০ টাকা, যা মুনাফা সহ এককালীন ২৫,০০০ টাকা পাবে।
- প্রতি বছর সম্পূর্ণ কোম্পানির মুনাফার ২৫% শেয়ার অনুযায়ী পাবেন।
- আস্থা-এর যে কোন বিক্রয় কেন্দ্রে ক্রয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ সদস্যদেরকে নির্দিষ্ট হারে ডিসকাউন্ট দেয়া হবে।
- আস্থা-এর যে কোন কর্মস্থানে সাধারণ সদস্যের চাকরি প্রাপ্তির অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
- একজন সাধারণ সদস্য তার মোট সঞ্চয়ের ৮০% অর্থ ঋণ হিসাবে নিতে পারবেন এবং ঋণের অর্থ কিস্তির মাধ্যমে ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী পরিশোধ করতে পারবেন।
- যেহেতু কোম্পানির ২৫% মুনাফা অসহায়/দরিদ্র-দের মধ্যে বিতরণ করা হবে, সেহেতু যে কোন সাহায্যের প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আস্থা-এর সাধারণ সদস্য/সদস্যের পরিবারকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
নন্দন সঞ্চয় প্রকল্প
- সাধারণ সদস্য : ১০ টাকা সঞ্চয় প্রতিদিন – সুফল সারা জীবন।
- বিনিয়োগ করা হবে : অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা খাতে।
Testimonials
What Clients Are Saying

